Ads

বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে হত্যা মামলার আসামি শ্রমিক লীগ নেতা ধরাছোঁয়ার বাইরে

বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে হত্যা মামলার আসামি শ্রমিক লীগ নেতা ধরাছোঁয়ার বাইরে
ছবি সংগৃহীত।

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে ছাত্র জনতার উপর উপর হামলায়নেতৃত্বদানকারী হত্যাসহ একাধিক মামলার আসামি হাটহাজারী উপজেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদশাহেদুল আলমের বিরুদ্ধে ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগেথানায় একাধিক মামলা হলেও স্থানীয় অসাধুকিছু বিএনপির নেতার সহযোগিতায় সপদে বহাল রয়েছে।প্রকাশ্যে ঘুরে ফেরার কারণেখবর পেয়ে পুলিশ কয়েকবারউক্ত শ্রমিক লীগ নেতাকে গ্রেফতারকরতে গেলে বিএনপির সুবিধাভোগীকিছু নেতার বাঁধার কারণে গ্রেফতার না করে চলেআসতে বাধ্য হয়েছে পুলিশ। এমন কি বিএনপিএক শেণির নেতা টাকার বিমিনয়েজেলা পুলিশ সুপারকে পর্যন্ত অনুরোধ করেছে যাতে ওসিকে চাপপ্রয়োগ না করে।

হামলায়জড়িত থাকার পরও ইউপি চেয়ারম্যানপদে বহাল থাকায় হামলায়আহতর পরিবার এবং মামলার বাদীক্ষোভ প্রকাশ করেছে। ছাত্র জনতার উপর হামলা অভিযোগেহাটহাজারীর সাবেক এমপি ব্যারিস্টার আনিসুলইসলাম মাহমুদকে প্রধান আসামি ও উপজেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদশাহেদসহ ৬৪ জন এজাহারভুক্তআসামি এবং অজ্ঞাত আরও৫০ /৬০ জনসহ ১০৪জনের বিরুদ্ধে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের নেতা মোহাম্মদ দিলদারবাদী হয়ে হাটহাজারী থানায়২০২৪ সালের ২ অক্টোবর মামলাকরেন। ছাত্র জনতার উপর হামলা অভিযোগেসাবেক জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানএম এ সালামকে প্রধানআসামি ও উপজেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি ও মার্দশা ইউপিচেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহেদকে আসামি করে ২০২৪ সালের১ সেপ্টম্বর তসলিমা বেগম নামের একমহিলা বাদী হয়ে হাটহাজারীথানায় মামলা দায়ের করেন। উক্ত মামলায় হাটহাজারীতেঘটে যাওয়া সেই ভয়াবহ সহিংসতায়ককটেল বিস্ফোরণ , গুলি বর্ষণ ওলাঠিসোটা দিয়ে হামলার ঘটনায়গুরুতর আহত হন মোহাম্মদকামাল উদ্দিন (৫০ ) নামের একব্যক্তি , যার ডান পাঅস্ত্রোপচারে কেটে ফেলতে হয়।অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান শাহেদকিছু বিএনপি নেতাকে টাকার বিনিময়ে তাকে পাহারা দেয়ারজন্য রেখেছে। তাদের দিয়ে যারা মামলাকরেছে তাদের পরিবারকে এবং পরিষদে বসেহুমকি দিচ্ছে জুলাই আন্দোলনে মামলার বাদীদের চাইলে যে কোন সময়শেষ করে দিতে পারেবলে হুংকার দিচ্ছে।

আহতব্যক্তি     মোহাম্মদকামাল উদ্দিন অভিযোগ করেছেন , হাটহাজারী বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে ছাত্র জনতার উপর উপর হামলায়নেতৃত্বদানকারী হত্যাসহ একাধিক মামলার আসামি হাটহাজারী উপজেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদশাহেদুল আলমের বিরুদ্ধে ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগেথানায় একাধিক মামলা হলেও স্থানীয় অসাধুকিছু বিএনপির নেতার সহযোগিতায় সপদে বহাল রয়েছে।প্রকাশ্যে ঘুরে ফেরার কারণেখবর পেয়ে পুলিশ কয়েকবারউক্ত শ্রমিক লীগ নেতাকে গ্রেফতারকরতে গেলে বিএনপির সুবিধাভোগীকিছু নেতার বাঁধার কারণে গ্রেফতার না করে চলেআসতে বাধ্য হয়েছে পুলিশ। এমন কি বিএনপিএক শেণির নেতা টাকার বিমিনয়েজেলা পুলিশ সুপারকে পর্যন্ত অনুরোধ করেছে যাতে ওসিকে চাপপ্রয়োগ না করে।

হামলায়জড়িত থাকার পরও ইউপি চেয়ারম্যানপদে বহাল থাকায় হামলায়আহতর পরিবার এবং মামলার বাদীক্ষোভ প্রকাশ করেছে। ছাত্র জনতার উপর হামলা অভিযোগেহাটহাজারীর সাবেক এমপি ব্যারিস্টার আনিসুলইসলাম মাহমুদকে প্রধান আসামি ও উপজেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদশাহেদসহ ৬৪ জন এজাহারভুক্তআসামি এবং অজ্ঞাত আরও৫০ /৬০ জনসহ ১০৪জনের বিরুদ্ধে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের নেতা মোহাম্মদ দিলদারবাদী হয়ে হাটহাজারী থানায়২০২৪ সালের ২ অক্টোবর মামলাকরেন। ছাত্র জনতার উপর হামলা অভিযোগেসাবেক জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানএম এ সালামকে প্রধানআসামি ও উপজেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি ও মার্দশা ইউপিচেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহেদকে আসামি করে ২০২৪ সালের১ সেপ্টম্বর তসলিমা বেগম নামের একমহিলা বাদী হয়ে হাটহাজারীথানায় মামলা দায়ের করেন। উক্ত মামলায় হাটহাজারীতেঘটে যাওয়া সেই ভয়াবহ সহিংসতায়ককটেল বিস্ফোরণ , গুলি বর্ষণ ওলাঠিসোটা দিয়ে হামলার ঘটনায়গুরুতর আহত হন মোহাম্মদকামাল উদ্দিন (৫০ ) নামের একব্যক্তি , যার ডান পাঅস্ত্রোপচারে কেটে ফেলতে হয়।অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান শাহেদকিছু বিএনপি নেতাকে টাকার বিনিময়ে তাকে পাহারা দেয়ারজন্য রেখেছে। তাদের দিয়ে যারা মামলাকরেছে তাদের পরিবারকে এবং পরিষদে বসেহুমকি দিচ্ছে জুলাই আন্দোলনে মামলার বাদীদের চাইলে যে কোন সময়শেষ করে দিতে পারেবলে হুংকার দিচ্ছে।

আহতব্যক্তি   মোহাম্মদকামাল উদ্দিন অভিযোগ করেছেন , হাটহাজারী উপজেলার উত্তর মাদার্শা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদের নেতৃত্বে   পূর্বপরিকল্পিতভাবেজমায়েত হয়ে মামলা চালায় , আমি সারা জীবনের জন্যপঙ্গুত্ববরণ করলেও মূল আসামিরা ধরাছোঁয়ার বাইরে ইউপি চেয়ারম্যান শাহেদুলআলম এখনো গ্রেফতার নাহওয়ায় মামলা বাদী এবং জুলাইআন্দোলনে আহতরা আতঙ্কে আছেন , তারা বিভিন্ন রুপধারণ করে যে কোনসময় আবার হামলা চালাতেপারে।

ইউপি চেয়ারম্যান সাহেদএকাধিক মামলার এজাহারভুক্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি , তার বিরুদ্ধে একটিহত্যা মামলাও রয়েছে , তবুও তিনি দাপটেরসঙ্গে প্রতিদিন ইউনিয়ন পরিষদে বসছেন এবং নানা প্রশাসনিককার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন , প্রতিদিন পরিষদে এসে তার বিরুদ্ধেযারা মামলা করেছে তাদেরকে দেখে নেয়ার   হুমকি দিচ্ছে।   জুলাইআন্দোলনে আহত কামাল উদ্দিনআরও জানান , ঘটনাস্থলে   গেলেসাহেদ ও তার অনুসারীদেরনির্দেশে একদল লোক গুলিচালায় , যার একটি গুলিতার ডান পায়ে এসেলাগে এবং তিনি মাটিতেলুটিয়ে পড়েন। তখন তাকে হত্যাকরার উদ্দেশ্যে লাঠি -সোটা দিয়েএলোপাতাড়ি   পেটানোহয় এবং কয়েকটি ককটেলবিস্ফোরণের মাধ্যমে সারা এলাকায় ভয়াবহআতঙ্ক সৃষ্টি করা হয়। স্থানীয়জনগণ পরে তাকে উদ্ধারকরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তিকরে , পরে উন্নত চিকিৎসারজন্য তাকে ঢাকায় নেওয়াহলে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তার ডান পাকেটে   ফেলতেহয়। এ প্রসঙ্গে হাটহাজারীউপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক নুর মোহাম্মদ জানান , শাহেদের বিরুদ্ধে ছাত্র জনতার উপর হামলা নির্যাতনেরহামলা রয়েছে , আমরাও চাই উনার বিরুদ্ধেআইনগত ব্যবস্থা নেয়া হউক , যদিউনার পক্ষে বিএনপির নেতা কর্মী অবস্থাননেয় তাদের বিরুদ্ধেও সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে , কোনঅপরাধীর বিএনপিতে জায়গা হবে না। অভিযোগেরবিষয়ে জানার জন্য উপজেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি ও উত্তর মার্দাশাইউপি চেয়ারম্যান শাহেদুল আলমের মোবাইলে একাধিকবার ফোন করা হলেওফোন রিসিভি করেনি।

উপজেলার উত্তর মাদার্শা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদের নেতৃত্বে     পূর্বপরিকল্পিতভাবেজমায়েত হয়ে মামলা চালায় , আমি সারা জীবনের জন্যপঙ্গুত্ববরণ করলেও মূল আসামিরা ধরাছোঁয়ার বাইরে ইউপি চেয়ারম্যান শাহেদুলআলম এখনো গ্রেফতার নাহওয়ায় মামলা বাদী এবং জুলাইআন্দোলনে আহতরা আতঙ্কে আছেন , তারা বিভিন্ন রুপধারণ করে যে কোনসময় আবার হামলা চালাতেপারে।

 ইউপি চেয়ারম্যান সাহেদএকাধিক মামলার এজাহারভুক্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি , তার বিরুদ্ধে একটিহত্যা মামলাও রয়েছে , তবুও তিনি দাপটেরসঙ্গে প্রতিদিন ইউনিয়ন পরিষদে বসছেন এবং নানা প্রশাসনিককার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন , প্রতিদিন পরিষদে এসে তার বিরুদ্ধেযারা মামলা করেছে তাদেরকে দেখে নেয়ার     হুমকি দিচ্ছে।     জুলাইআন্দোলনে আহত কামাল উদ্দিনআরও জানান , ঘটনাস্থলে     গেলেসাহেদ ও তার অনুসারীদেরনির্দেশে একদল লোক গুলিচালায় , যার একটি গুলিতার ডান পায়ে এসেলাগে এবং তিনি মাটিতেলুটিয়ে পড়েন। তখন তাকে হত্যাকরার উদ্দেশ্যে লাঠি -সোটা দিয়েএলোপাতাড়ি     পেটানোহয় এবং কয়েকটি ককটেলবিস্ফোরণের মাধ্যমে সারা এলাকায় ভয়াবহআতঙ্ক সৃষ্টি করা হয়। স্থানীয়জনগণ পরে তাকে উদ্ধারকরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তিকরে , পরে উন্নত চিকিৎসারজন্য তাকে ঢাকায় নেওয়াহলে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তার ডান পাকেটে     ফেলতেহয়। এ প্রসঙ্গে হাটহাজারীউপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক নুর মোহাম্মদ জানান , শাহেদের বিরুদ্ধে ছাত্র জনতার উপর হামলা নির্যাতনেরহামলা রয়েছে , আমরাও চাই উনার বিরুদ্ধেআইনগত ব্যবস্থা নেয়া হউক , যদিউনার পক্ষে বিএনপির নেতা কর্মী অবস্থাননেয় তাদের বিরুদ্ধেও সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে , কোনঅপরাধীর বিএনপিতে জায়গা হবে না। অভিযোগেরবিষয়ে জানার জন্য উপজেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি ও উত্তর মার্দাশাইউপি চেয়ারম্যান শাহেদুল আলমের মোবাইলে একাধিকবার ফোন করা হলেওফোন রিসিভি করেনি।

 




Ads

চট্টগ্রামে খুন প্রতিদিনই

চট্টগ্রামে খুন প্রতিদিনই
ছবি সংগৃহীত।

 

বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রাম পরিণত হচ্ছে অপরাধের নগরীতে। মাদক কারবার, কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য, বেপরোয়া চাঁদাবাজি এবং ফুটপাত দখল করে অবৈধ বাণিজ্যের মতো ঘটনায় সাধারণ মানুষ দিশাহারা। এখানে খুন পরিণত হয়েছে নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা হিসেবে। চলতি বছর খুন হয়েছে কমপক্ষে ১২০ জন। আইন প্রয়োগকারী সংস্থার অভিযান সত্ত্বেও অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না, যা নগরবাসীর মধ্যে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের মুখপাত্র ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাসেল বলেন, খুন ও অন্যান্য অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে পুলিশ। জেলার সব ইউনিট কাজ করছে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে। চালানো হচ্ছে অভিযান। সিএমপির মুখপাত্র অতিরিক্ত উপকমিশনার মাহমুদা বেগম বলেন, আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে সিএমপির সব ইউনিট কাজ করছে। বাড়ানো হয়েছে টহল।

জানা যায়, অপরাধের নগরীতে পরিণত হচ্ছে দেশের বাণিজ্যিক রাজধানী খ্যাত চট্টগ্রাম। মাদকব্যবসা, কিশোর গ্যাংয়ের ভয়াবহ দৌরাত্ম্য, বেপরোয়া চাঁদাবাজির মতো ঘটনায় জর্জরিত বন্দরনগরীর সাধারণ মানুষ। প্রতিনিয়ত খুনাখুনি হচ্ছে। আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর পক্ষ থেকে নিয়মিত অভিযানের কথা বলা হলেও অপরাধের লাগাম টেনে ধরা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ নগরবাসীর। ফলে সব মহলে বাড়ছে গভীর উদ্বেগ। চট্টগ্রামের অপরাধ জগতের অন্যতম চালিকাশক্তি এখন মাদক। বিশেষ করে ইয়াবা ও আইস। টেকনাফ ও কক্সবাজার সীমান্ত দিয়ে আসা মাদকের একটি বড় অংশ চট্টগ্রাম মহানগরী ও আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ছে। নগরীর অলিগলিতে হাত বাড়ালেই মিলছে মরণনেশা ইয়াবা, আইসসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক। এর ফলে তরুণ ও যুবসমাজ। তাদের হাতে প্রায়ই ঘটছে ছিনতাইয়ের মতো ঘটনা। নগরী ও জেলায় খুন সাধারণ ঘটনায় পরিণত হয়েছে। আধিপত্য বিস্তার, রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব, আন্ডারওয়ার্ল্ড কতৃত্ব প্রতিষ্ঠা কিংবা পারিবারিক কলহের জেরে ঘটছে একের পর এক হত্যাকা । চলতি বছরে চট্টগ্রামে খুন হয়েছে কমপক্ষে ১২০ জন।

নগরীতে গত কয়েক বছরে ভয়াবহ রূপে আবির্ভূত হয়েছে ‘কিশোর গ্যাং’ সংস্কৃতি। নগরীর বিভিন্ন এলাকায় রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় এবং স্থানীয় ‘বড় ভাইদের’ মদদে এসব গ্যাং গড়ে উঠেছে। আধিপত্য বিস্তার, ছিনতাই, মারামারি এমনকি হত্যাকাণ্ডের মতো গুরুতর অপরাধেও জড়িয়ে পড়ছে এসব কিশোররা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছুরি, পিস্তল নিয়ে মহড়া দেওয়া এবং এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করা তাদের নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। সম্প্রতি ঘটে যাওয়া কয়েকটি হত্যাকাণ্ডের পেছনেও এসব কিশোর গ্যাংয়ের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। যা নগরবাসীর মনে নতুন করে আতঙ্ক তৈরি করেছে। চাঁদাবাজি ও দখলবাজিতে অসহায় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ। চট্টগ্রামের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে ঘিরে সক্রিয় রয়েছে শক্তিশালী চাঁদাবাজ সিন্ডিকেট। পরিবহন খাত, নির্মাণাধীন ভবন, ফুটপাতের দোকান থেকে শুরু করে বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠান পর্যন্ত বিস্তৃত তাদের চাঁদাবাজির জাল। চাঁদা না দিলেই নেমে আসে হুমকি, হামলা ও নির্যাতনের খড়গ।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগের চেয়ারম্যান মৌমিতা পাল বলেন, আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর নিষ্ক্রিয়তা, সামাজিক অবক্ষয়, বেকারত্ব, রাজনৈতিক প্রভাব এবং বিচার প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা চট্টগ্রামে অপরাধ বাড়ার অন্যতম কারণ। শুধু পুলিশি অভিযান দিয়ে এ সমস্যার মূল উৎপাটন সম্ভব নয়। কিশোরদের জন্য সুস্থ বিনোদন ও সঠিক পথের দিশা তৈরি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অপরাধীদের রাজনৈতিক আশ্রয় দেওয়া বন্ধ করতে না পারলে এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ কঠিন।




Ads

সাবেক চেয়ারম্যানকে ধরে পুলিশে দিল বৈষম্যবিরোধীরা

সাবেক চেয়ারম্যানকে ধরে পুলিশে দিল বৈষম্যবিরোধীরা
ছবি সংগৃহীত।


মেয়ের জন্মদিনের অনুষ্ঠান থেকে ধরে চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাবেক ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ইনজামুল হক জসিমকে পুলিশে দিয়েছে বৈষম্যবিরোধীরা।


শনিবার (১২ জুলাই) রাত ১১টার দিকে  চট্টগ্রাম নগরীর দুই নম্বর গেট এলাকার একটি রেস্তোরা থেকে বৈষম্যবিরোধী ও এনসিপি নেতাকর্মীরা তাকে আটক করে পাঁচলাইশ থানা পুলিশের কাছে তুলে দেয়। জসিম কচুয়াই ইউনিয়ন পরিষদের দুই বারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছিলেন।

বৈষম্যবিরোধীদের অভিযোগ, হত বছরের জুলাই-আগস্টে পটিয়ায় ছাত্রদের ওপর হামলার নেতৃত্ব দেন ইনজামুল হক জসিম।
পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোলাইমান জানান, শনিবার রাতে তাকে দেখতে পেয়ে স্থানীয় ছাত্র-জনতা পুলিশকে খবর দেয়। পরে পাঁচলাইশ থানা পুলিশ তাকে আটক করে


বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা তওসিফ ইমরোজ তার ফেসবুক পোস্টে জসিম চেয়ারম্যানকে গ্রেপ্তারের ভিডিও ও ছবি পোস্ট করে লিখেন- ‘যেসব আওয়ামী লীগের দোসররা মনে করে জুলাই হারিয়ে গেছে, তারা মুক্ত বাতাসে ঘুরত পারবে, আমি বলি তারা ঘুমের ঘোরে আছে। আমরা আওয়ামী লীগের প্রশ্নে কোনো ছাড় দেব না।’

পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুজ্জামান বলেন, ‘তাকে আটকের পর আমাদের কাছে হস্তান্তর করেছে পাঁচলাইশ থানা পুলিশ। তার বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে। তাকে আদালতে প্রেরণ করার কাজ চলছে।’




Ads

শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে শিক্ষক গ্রেপ্তার

শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে শিক্ষক গ্রেপ্তার
ছবি সংগৃহীত।

মাদ্রাসা থেকে ১০ বছরের এক শিশু শিক্ষার্থীকে অপহরণ করে হোটেলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

ওই শিক্ষকের নাম বেলাল উদ্দিন।
তিনি কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার বারবাকিয়া ইউনিয়নের শীলখালী সবুজপাড়া এলাকার নুরুল আলমের ছেলে।  
শনিবার (১২ জুলাই) ভোরে কক্সবাজারের চকরিয়া পৌরসভার একটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে লোহাগাড়া থানা পুলিশ।

পুলিশ জানায়, লোহাগাড়া উপজেলার একটি মাদ্রাসার শিক্ষক বেলাল উদ্দিন শুক্রবার (১১ জুলাই) দুপুরে ওই শিশু শিক্ষার্থীকে মাদ্রাসা থেকে অপহরণ করে চকরিয়ায় একটি হোটেলে নিয়ে যায়। এরপর সেখানে তাকে আটকে রেখে ধর্ষণ করে। এ ঘটনা জানালে শিশুটিকে হত্যা করা হবে বলেও হুমকি দেয় ওই শিক্ষক।  

লোহাগাড়া থানার ওসি আরিফুর রহমান বলেন, অপহরণের আগেও শিক্ষক বেলাল উদ্দিন শিশুটিকে একাধিকবার ধর্ষণ করেছে বলে স্বীকার করেছে। তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। শনিবার দুপুরে ওই শিক্ষার্থীর বাবা মামলা করেছেন।



দৈনিক সাম্পান

Latest News

ক্যাটাগরি