Ads

পার্কভিউ হাসপাতালে মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় সিভিল সার্জনের বাধা ও হুমকি

পার্কভিউ হাসপাতালে মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় সিভিল সার্জনের বাধা ও হুমকি
ছবি সংগৃহীত।

চট্টগ্রামেবেসরকারী হাসপাতাল পার্ক ভিউ হাসপাতালে অনিয়মতদন্তে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা কালে জেলা সিভিলসার্জন ডাঃ জাহাঙ্গীর আলমমোবাইল কোর্ট পরিচালনাকারী জেলা প্রশাসনের নির্বাহীম্যাজিস্ট্রেট মাসুমা আখতারের হোয়াটসঅ্যাপ কলে হুমকি প্রদানও অভিযান পরিচালনায় বাঁধা প্রদানের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ওক্ষোভ প্রকাশ করে এধরণের ঘটনাকে “সর্ষের ভেতর ভুত ” অভিহিতকরে অবিলম্বে এঘটনার সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমুলকশাস্তি দাবি করেছেন দেশেরক্রেতা ভোক্তাদের জাতীয় প্রতিনিধিত্বকারী প্রতিষ্টান কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব ) চট্টগ্রাম নেতৃবন্দ।

৮ জুলাই গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে স্বাক্ষরকরেন ক্যাব কেন্দ্রিয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এসএম নাজের হোসাইন , ক্যাব বিভাগীয় সাধারন সম্পাদক কাজী ইকবাল বাহারছাবেরী , ক্যাব চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি জেসমিন সুলতানা পারু , সাধারন সম্পাদক অজয় মিত্র শংকু , যুগ্ন সম্পাদক মোঃ সেলিম জাহাঙ্গীর , দক্ষিন জেলা সভাপতি আলহাজ্বআবদুল মান্নান , যুব ক্যাব মহানগরসভাপতি আবু হানিফ নোমান , পলিসি ইনফ্লুয়েন্স গ্রুপ চট্টগ্রামের সভাপতি কলামিস্ট মুসা খান , সদস্যসচিব আবু মোশারফ রাসেলও যুগ্ন সদস্য সচিব সাঈদুর রহমানমিন্টু প্রমুখ।

প্রাপ্ততথ্যে জানা যায় , ০৮জুলাই মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে পার্কভিউহাসপাতালে জেলা প্রশাসনের নির্বাহীম্যাজিস্ট্রেট ও বাকলিয়া সার্কেলেরসহকারী কমিশনার (ভূমি ) মাসুমা আক্তার কণার নেতৃত্বে মোবাইলকোর্ট পরিচালনা করতে যান সদরসার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি ) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটইমরান মাহমুদ ডালিম ও পরিবেশ অধিদপ্তরেরসহকারী পরিচালক রোমানা আক্তার , সিভিল সার্জনের কর্মকর্তা ডা . শিব্বির আহমেদপ্রিন্স , মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণঅধিদপ্তরের কর্মকর্তা এবং ক্যাবের প্রতিনিধি     আবুহানিফ নোমানসহ অন্যান্যরা। অভিযানকালে পার্কভিউ হাসপাতালের নানান অনিয়ম ধরা পড়ে। টেস্টেরতালিকার মূল্য চার্টে অনেক টেস্টের নামউল্লেখ নেই। টেস্টের মূল্যতালিকা দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শিত ছিলো না। যাছোটখাটো ক্যালেন্ডারে ছিলো। হাসপাতালের রোগীদের খাবার প্রস্তুতকরণের জায়গা অর্থাৎ রান্নাঘর অপরিস্কার ও অপরিছন্ন , অস্বাস্থ্য -পরিবেশে রান্নার করার প্রমাণ পাওয়াযায়। রেফ্রিজারেটরে দীর্ঘদিন পড়ে থাকা মাংসও অনিরাপদ খোলা ভোজ্য তেলেরট্যাংক অভিযানকালে ধরা পড়ে। পাশাপাশিবিএসটিআই কর্তৃক অনুমোদনহীন দইয়ের সন্ধান পাওয়া যায়। যা রোগীদেরজন্য সম্পূর্ণ অনিরাপদ ও ঝুঁকিপূর্ণ।

অভিযানকালেহঠাৎ হোয়াটসঅ্যাপ ফোনকলে চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন ডা . জাহাঙ্গীর আলমবাকলিয়া সার্কেলের এসিল্যান্ড ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিট্রেটকেউদ্দেশ্য করে উচ্চস্বরে বলেন , কার পারমিশনে পার্কভিউ হাসপাতালে অ চট্টগ্রামেবেসরকারী হাসপাতাল পার্ক ভিউ হাসপাতালে অনিয়মতদন্তে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা কালে জেলা সিভিলসার্জন ডাঃ জাহাঙ্গীর আলমমোবাইল কোর্ট পরিচালনাকারী জেলা প্রশাসনের নির্বাহীম্যাজিস্ট্রেট মাসুমা আখতারের হোয়াটসঅ্যাপ কলে হুমকি প্রদানও অভিযান পরিচালনায় বাঁধা প্রদানের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ওক্ষোভ প্রকাশ করে এধরণের ঘটনাকে “সর্ষের ভেতর ভুত ” অভিহিতকরে অবিলম্বে এঘটনার সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমুলকশাস্তি দাবি করেছেন দেশেরক্রেতা ভোক্তাদের জাতীয় প্রতিনিধিত্বকারী প্রতিষ্টান কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব ) চট্টগ্রাম নেতৃবন্দ।

৮ জুলাই গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে স্বাক্ষরকরেন ক্যাব কেন্দ্রিয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এসএম নাজের হোসাইন , ক্যাব বিভাগীয় সাধারন সম্পাদক কাজী ইকবাল বাহারছাবেরী , ক্যাব চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি জেসমিন সুলতানা পারু , সাধারন সম্পাদক অজয় মিত্র শংকু , যুগ্ন সম্পাদক মোঃ সেলিম জাহাঙ্গীর , দক্ষিন জেলা সভাপতি আলহাজ্বআবদুল মান্নান , যুব ক্যাব মহানগরসভাপতি আবু হানিফ নোমান , পলিসি ইনফ্লুয়েন্স গ্রুপ চট্টগ্রামের সভাপতি কলামিস্ট মুসা খান , সদস্যসচিব আবু মোশারফ রাসেলও যুগ্ন সদস্য সচিব সাঈদুর রহমানমিন্টু প্রমুখ।

প্রাপ্ততথ্যে জানা যায় , ০৮জুলাই মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে পার্কভিউহাসপাতালে জেলা প্রশাসনের নির্বাহীম্যাজিস্ট্রেট ও বাকলিয়া সার্কেলেরসহকারী কমিশনার (ভূমি ) মাসুমা আক্তার কণার নেতৃত্বে মোবাইলকোর্ট পরিচালনা করতে যান সদরসার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি ) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটইমরান মাহমুদ ডালিম ও পরিবেশ অধিদপ্তরেরসহকারী পরিচালক রোমানা আক্তার , সিভিল সার্জনের কর্মকর্তা ডা . শিব্বির আহমেদপ্রিন্স , মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণঅধিদপ্তরের কর্মকর্তা এবং ক্যাবের প্রতিনিধি   আবুহানিফ নোমানসহ অন্যান্যরা। অভিযানকালে পার্কভিউ হাসপাতালের নানান অনিয়ম ধরা পড়ে। টেস্টেরতালিকার মূল্য চার্টে অনেক টেস্টের নামউল্লেখ নেই। টেস্টের মূল্যতালিকা দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শিত ছিলো না। যাছোটখাটো ক্যালেন্ডারে ছিলো। হাসপাতালের রোগীদের খাবার প্রস্তুতকরণের জায়গা অর্থাৎ রান্নাঘর অপরিস্কার ও অপরিছন্ন , অস্বাস্থ্য -পরিবেশে রান্নার করার প্রমাণ পাওয়াযায়। রেফ্রিজারেটরে দীর্ঘদিন পড়ে থাকা মাংসও অনিরাপদ খোলা ভোজ্য তেলেরট্যাংক অভিযানকালে ধরা পড়ে। পাশাপাশিবিএসটিআই কর্তৃক অনুমোদনহীন দইয়ের সন্ধান পাওয়া যায়। যা রোগীদেরজন্য সম্পূর্ণ অনিরাপদ ও ঝুঁকিপূর্ণ।

অভিযানকালেহঠাৎ হোয়াটসঅ্যাপ ফোনকলে চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন ডা . জাহাঙ্গীর আলমবাকলিয়া সার্কেলের এসিল্যান্ড ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিট্রেটকেউদ্দেশ্য করে উচ্চস্বরে বলেন , কার পারমিশনে পার্কভিউ হাসপাতালে অভিযান পরিচালনা করছেন। ওইসব দেখার দায়িত্বআমার। কোনো জরিমানা করবেননা। জরিমানা করা হলে আপনারবিরুদ্ধে আন্দোলন হবে। পাশাপাশি সিভিলসার্জনের প্রতিনিধিকেও তিনি ফোনকলে শাসান।পাশে দাড়িয়ে থাকা ক্যাবের প্রতিনিধিআবু হানিফ নোমান ও সদর সার্কেলেরএসিল্যান্ড এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ইমরান মাহমুদ ডালিম ও অন্যান্যরা হতবাকহয়ে পড়েন। উক্ত অনিয়মসমূহ একসপ্তাহের মধ্যে সংশোধনের জন্য অভিযানের নেতৃত্বেথাকা বাকলিয়া সার্কেলের এসিল্যান্ড ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিট্রেটমাসুমা আক্তারের নিকট হাসপাতাল কর্তৃপক্ষেরপক্ষে জিএম তালুকদার জিয়াউররহমান মুচলেকা প্রদান করেন। পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা অত্র হাসপাতালে পরিবেশেরনিয়ম বিঘ্নিত হওয়ায় শোকজ নোটিশ প্রদানকরেন। ক্যাবের প্রতিনিধি আবু হানিফ নোমানজানান , মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকালে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটকে ফোনকলে সিভিল সার্জনের এমন ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণনিন্দনীয়। একজন সরকারি কর্মকর্তাহয়ে সরকারি কাজে বাধা প্রদানকরা যা সরকারি আচরণবিধিনিয়মানুযায়ী চরমভাবে লঙ্ঘন করে। রাষ্ট্রীয় কাজেচট্টগ্রাম সিভিল সার্জনের এহেন নিন্দনীয় ওগর্হিত ভূমিকা এবং হস্তক্ষেপের প্রতিতিনি নিন্দা জানান। সুষ্ঠু তদন্তের সাপেক্ষে তার বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবি জানান।

এ ঘটনায় বিস্ময় প্রকাশ করে ক্যাব নেতৃবৃন্দবলেন , সিভিল সার্জনের অনুমতি নিয়ে কী তাহলেবেসরকারী হাসপাতাল ও ডায়গনিস্টকগুলি মানুষেরপকেট কাটছে আর স্বাস্থ্য বিভাগনিরব দর্শক। তারা মাসিক মাসোহারারভিত্তিতে এধরনের গলাকাটা বিল আদায় করছে।আর সরকারের অন্যকোন কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিতে গেলে সেখানেবাধা প্রদান করছে। তারা অবিলম্বে সিভিলসার্জনের এধরনের ঘটনার দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি দাবি করেন।ভিযান পরিচালনা করছেন। ওইসব দেখার দায়িত্বআমার। কোনো জরিমানা করবেননা। জরিমানা করা হলে আপনারবিরুদ্ধে আন্দোলন হবে। পাশাপাশি সিভিলসার্জনের প্রতিনিধিকেও তিনি ফোনকলে শাসান।পাশে দাড়িয়ে থাকা ক্যাবের প্রতিনিধিআবু হানিফ নোমান ও সদর সার্কেলেরএসিল্যান্ড এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ইমরান মাহমুদ ডালিম ও অন্যান্যরা হতবাকহয়ে পড়েন। উক্ত অনিয়মসমূহ একসপ্তাহের মধ্যে সংশোধনের জন্য অভিযানের নেতৃত্বেথাকা বাকলিয়া সার্কেলের এসিল্যান্ড ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিট্রেটমাসুমা আক্তারের নিকট হাসপাতাল কর্তৃপক্ষেরপক্ষে জিএম তালুকদার জিয়াউররহমান মুচলেকা প্রদান করেন। পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা অত্র হাসপাতালে পরিবেশেরনিয়ম বিঘ্নিত হওয়ায় শোকজ নোটিশ প্রদানকরেন। ক্যাবের প্রতিনিধি আবু হানিফ নোমানজানান , মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকালে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটকে ফোনকলে সিভিল সার্জনের এমন ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণনিন্দনীয়। একজন সরকারি কর্মকর্তাহয়ে সরকারি কাজে বাধা প্রদানকরা যা সরকারি আচরণবিধিনিয়মানুযায়ী চরমভাবে লঙ্ঘন করে। রাষ্ট্রীয় কাজেচট্টগ্রাম সিভিল সার্জনের এহেন নিন্দনীয় ওগর্হিত ভূমিকা এবং হস্তক্ষেপের প্রতিতিনি নিন্দা জানান। সুষ্ঠু তদন্তের সাপেক্ষে তার বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবি জানান।

এ ঘটনায় বিস্ময় প্রকাশ করে ক্যাব নেতৃবৃন্দবলেন , সিভিল সার্জনের অনুমতি নিয়ে কী তাহলেবেসরকারী হাসপাতাল ও ডায়গনিস্টকগুলি মানুষেরপকেট কাটছে আর স্বাস্থ্য বিভাগনিরব দর্শক। তারা মাসিক মাসোহারারভিত্তিতে এধরনের গলাকাটা বিল আদায় করছে।আর সরকারের অন্যকোন কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিতে গেলে সেখানেবাধা প্রদান করছে। তারা অবিলম্বে সিভিলসার্জনের এধরনের ঘটনার দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি দাবি করেন।




Ads

চট্টগ্রামে খুন প্রতিদিনই

চট্টগ্রামে খুন প্রতিদিনই
ছবি সংগৃহীত।

 

বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রাম পরিণত হচ্ছে অপরাধের নগরীতে। মাদক কারবার, কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য, বেপরোয়া চাঁদাবাজি এবং ফুটপাত দখল করে অবৈধ বাণিজ্যের মতো ঘটনায় সাধারণ মানুষ দিশাহারা। এখানে খুন পরিণত হয়েছে নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা হিসেবে। চলতি বছর খুন হয়েছে কমপক্ষে ১২০ জন। আইন প্রয়োগকারী সংস্থার অভিযান সত্ত্বেও অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না, যা নগরবাসীর মধ্যে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের মুখপাত্র ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাসেল বলেন, খুন ও অন্যান্য অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে পুলিশ। জেলার সব ইউনিট কাজ করছে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে। চালানো হচ্ছে অভিযান। সিএমপির মুখপাত্র অতিরিক্ত উপকমিশনার মাহমুদা বেগম বলেন, আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে সিএমপির সব ইউনিট কাজ করছে। বাড়ানো হয়েছে টহল।

জানা যায়, অপরাধের নগরীতে পরিণত হচ্ছে দেশের বাণিজ্যিক রাজধানী খ্যাত চট্টগ্রাম। মাদকব্যবসা, কিশোর গ্যাংয়ের ভয়াবহ দৌরাত্ম্য, বেপরোয়া চাঁদাবাজির মতো ঘটনায় জর্জরিত বন্দরনগরীর সাধারণ মানুষ। প্রতিনিয়ত খুনাখুনি হচ্ছে। আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর পক্ষ থেকে নিয়মিত অভিযানের কথা বলা হলেও অপরাধের লাগাম টেনে ধরা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ নগরবাসীর। ফলে সব মহলে বাড়ছে গভীর উদ্বেগ। চট্টগ্রামের অপরাধ জগতের অন্যতম চালিকাশক্তি এখন মাদক। বিশেষ করে ইয়াবা ও আইস। টেকনাফ ও কক্সবাজার সীমান্ত দিয়ে আসা মাদকের একটি বড় অংশ চট্টগ্রাম মহানগরী ও আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ছে। নগরীর অলিগলিতে হাত বাড়ালেই মিলছে মরণনেশা ইয়াবা, আইসসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক। এর ফলে তরুণ ও যুবসমাজ। তাদের হাতে প্রায়ই ঘটছে ছিনতাইয়ের মতো ঘটনা। নগরী ও জেলায় খুন সাধারণ ঘটনায় পরিণত হয়েছে। আধিপত্য বিস্তার, রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব, আন্ডারওয়ার্ল্ড কতৃত্ব প্রতিষ্ঠা কিংবা পারিবারিক কলহের জেরে ঘটছে একের পর এক হত্যাকা । চলতি বছরে চট্টগ্রামে খুন হয়েছে কমপক্ষে ১২০ জন।

নগরীতে গত কয়েক বছরে ভয়াবহ রূপে আবির্ভূত হয়েছে ‘কিশোর গ্যাং’ সংস্কৃতি। নগরীর বিভিন্ন এলাকায় রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় এবং স্থানীয় ‘বড় ভাইদের’ মদদে এসব গ্যাং গড়ে উঠেছে। আধিপত্য বিস্তার, ছিনতাই, মারামারি এমনকি হত্যাকাণ্ডের মতো গুরুতর অপরাধেও জড়িয়ে পড়ছে এসব কিশোররা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছুরি, পিস্তল নিয়ে মহড়া দেওয়া এবং এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করা তাদের নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। সম্প্রতি ঘটে যাওয়া কয়েকটি হত্যাকাণ্ডের পেছনেও এসব কিশোর গ্যাংয়ের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। যা নগরবাসীর মনে নতুন করে আতঙ্ক তৈরি করেছে। চাঁদাবাজি ও দখলবাজিতে অসহায় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ। চট্টগ্রামের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে ঘিরে সক্রিয় রয়েছে শক্তিশালী চাঁদাবাজ সিন্ডিকেট। পরিবহন খাত, নির্মাণাধীন ভবন, ফুটপাতের দোকান থেকে শুরু করে বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠান পর্যন্ত বিস্তৃত তাদের চাঁদাবাজির জাল। চাঁদা না দিলেই নেমে আসে হুমকি, হামলা ও নির্যাতনের খড়গ।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগের চেয়ারম্যান মৌমিতা পাল বলেন, আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর নিষ্ক্রিয়তা, সামাজিক অবক্ষয়, বেকারত্ব, রাজনৈতিক প্রভাব এবং বিচার প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা চট্টগ্রামে অপরাধ বাড়ার অন্যতম কারণ। শুধু পুলিশি অভিযান দিয়ে এ সমস্যার মূল উৎপাটন সম্ভব নয়। কিশোরদের জন্য সুস্থ বিনোদন ও সঠিক পথের দিশা তৈরি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অপরাধীদের রাজনৈতিক আশ্রয় দেওয়া বন্ধ করতে না পারলে এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ কঠিন।




Ads

সাবেক চেয়ারম্যানকে ধরে পুলিশে দিল বৈষম্যবিরোধীরা

সাবেক চেয়ারম্যানকে ধরে পুলিশে দিল বৈষম্যবিরোধীরা
ছবি সংগৃহীত।


মেয়ের জন্মদিনের অনুষ্ঠান থেকে ধরে চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাবেক ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ইনজামুল হক জসিমকে পুলিশে দিয়েছে বৈষম্যবিরোধীরা।


শনিবার (১২ জুলাই) রাত ১১টার দিকে  চট্টগ্রাম নগরীর দুই নম্বর গেট এলাকার একটি রেস্তোরা থেকে বৈষম্যবিরোধী ও এনসিপি নেতাকর্মীরা তাকে আটক করে পাঁচলাইশ থানা পুলিশের কাছে তুলে দেয়। জসিম কচুয়াই ইউনিয়ন পরিষদের দুই বারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছিলেন।

বৈষম্যবিরোধীদের অভিযোগ, হত বছরের জুলাই-আগস্টে পটিয়ায় ছাত্রদের ওপর হামলার নেতৃত্ব দেন ইনজামুল হক জসিম।
পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোলাইমান জানান, শনিবার রাতে তাকে দেখতে পেয়ে স্থানীয় ছাত্র-জনতা পুলিশকে খবর দেয়। পরে পাঁচলাইশ থানা পুলিশ তাকে আটক করে


বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা তওসিফ ইমরোজ তার ফেসবুক পোস্টে জসিম চেয়ারম্যানকে গ্রেপ্তারের ভিডিও ও ছবি পোস্ট করে লিখেন- ‘যেসব আওয়ামী লীগের দোসররা মনে করে জুলাই হারিয়ে গেছে, তারা মুক্ত বাতাসে ঘুরত পারবে, আমি বলি তারা ঘুমের ঘোরে আছে। আমরা আওয়ামী লীগের প্রশ্নে কোনো ছাড় দেব না।’

পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুজ্জামান বলেন, ‘তাকে আটকের পর আমাদের কাছে হস্তান্তর করেছে পাঁচলাইশ থানা পুলিশ। তার বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে। তাকে আদালতে প্রেরণ করার কাজ চলছে।’




Ads

শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে শিক্ষক গ্রেপ্তার

শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে শিক্ষক গ্রেপ্তার
ছবি সংগৃহীত।

মাদ্রাসা থেকে ১০ বছরের এক শিশু শিক্ষার্থীকে অপহরণ করে হোটেলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

ওই শিক্ষকের নাম বেলাল উদ্দিন।
তিনি কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার বারবাকিয়া ইউনিয়নের শীলখালী সবুজপাড়া এলাকার নুরুল আলমের ছেলে।  
শনিবার (১২ জুলাই) ভোরে কক্সবাজারের চকরিয়া পৌরসভার একটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে লোহাগাড়া থানা পুলিশ।

পুলিশ জানায়, লোহাগাড়া উপজেলার একটি মাদ্রাসার শিক্ষক বেলাল উদ্দিন শুক্রবার (১১ জুলাই) দুপুরে ওই শিশু শিক্ষার্থীকে মাদ্রাসা থেকে অপহরণ করে চকরিয়ায় একটি হোটেলে নিয়ে যায়। এরপর সেখানে তাকে আটকে রেখে ধর্ষণ করে। এ ঘটনা জানালে শিশুটিকে হত্যা করা হবে বলেও হুমকি দেয় ওই শিক্ষক।  

লোহাগাড়া থানার ওসি আরিফুর রহমান বলেন, অপহরণের আগেও শিক্ষক বেলাল উদ্দিন শিশুটিকে একাধিকবার ধর্ষণ করেছে বলে স্বীকার করেছে। তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। শনিবার দুপুরে ওই শিক্ষার্থীর বাবা মামলা করেছেন।



দৈনিক সাম্পান

Latest News

ক্যাটাগরি